মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৯ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে অত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পদধূলী দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাম্পাস ও একাডেমিক কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। প্রথম পর্যায়ে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে চারটি অনুষদ; ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান, বিজনেস স্টাডিস এবং হিউমেনিটিজ অনুষদে পাঁচটি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ৬টি অনুষদের অধীনে ১৪বিভাগে সর্বমোট  ১৩৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ২০১১-১২, ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে ‘‘Bangabandhu Institute of Liberation War and Bangladesh Studies’’ এর অধীনে এমফিল ও পিএইচডি কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামোর (একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, কেন্দ্রীয় ক্যাফেটারিয়া, হল ৩টি, ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের বাসভবন, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ডরমিটরি ২টি, কেন্দ্রীয় মসজিদ, বাউন্ডারি ওয়াল, অভ্যন্তরীন রাস্তা ও বিশুদ্ধ পানি শোধনাগার ইত্যাদি) নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণের জন্য একনেকে ১০৫ কোটি টাকার ‘‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প’’ পাশ হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ভিশন-২০২১ কে টার্গেট করে ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় ১০বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। মাত্র ০৫টি বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ১৪টি বিভাগ খোলা হয়েছে এবং ২০২১ সাল নাগাদ পর্যায়ক্রমে ৩২টি বিষয় খোলার লক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে আরও দুটি গবেষণা ইনস্টিটিউট খোলা হবে। যার একটি ইতোমধ্যে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হওয়া ইনস্টিটিউটের নাম হলো ‘‘Bangabandhu Institute of Liberation War and Bangladesh Studies’’। এ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে। বর্তমান সরকার উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছেন, যে শিক্ষানীতির ফলে তৈরি দক্ষ জনসম্পদ শুধু দেশের সম্পদই নয় বিশ্বেরও সম্পদ হতে পারেন। এ দক্ষ  জনসম্পদ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচেছ।